রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল এবং ৪৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ পাঁচজন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও থানা পুলিশ।
সোমবার (৪ মে) বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে চন্দ্রিমা থানার বালানগর এলাকা থেকে কেরু ও মোস্তফাকে আটক করা হয়। একই তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে দামকুড়া থানার হরিপুর খড়িয়ারধার এলাকা থেকে সাকিমকে আটক করা হয়। একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বোয়ালিয়া থানার খরবোনা নদীরধার বটতলা এলাকা থেকে সোহানকে আটক করা হয়। এর আগে গত ৩ মে রাত আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে বোয়ালিয়া থানার অলকার এলাকা থেকে রাফিকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- চন্দ্রিমা থানার বালানগর গ্রামের মৃত চাঁন মোহাম্মদের ছেলে মো: শরিফুল ইসলাম (৪১), যিনি সেরু ও কেরু নামে পরিচিত; একই থানার ললিতাহার গ্রামের মো: আলেফ শেখের ছেলে মো: গোলাম মোস্তফা (৪৮); দামকুড়া থানার হরিপুর খড়িয়ারধার গ্রামের মো: আবুল হোসেনের ছেলে মো: সাকিম হোসেন (৪২); বোয়ালিয়া থানার সাগরপাড়া গ্রামের মো: আব্দুর রহিমের ছেলে মো: রাফি আহম্মেদ (২৮); এবং একই থানার খরবোনা নদীরধার গ্রামের মাসুম আলীর ছেলে মো: সোহান আলী (২৪)। সকল আসামিই রাজশাহী মহানগরীর বাসিন্দা।
মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করে মোট ৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল এবং ৪৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি কেরু (৪১)-এর বিরুদ্ধে আরএমপি’র চন্দ্রিমা থানায় ৩টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে। অপরদিকে, অপর আসামি সাকিম (৪২)-এর বিরুদ্ধে আরএমপি’র দামকুড়া থানায় ৪টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।
সোমবার (৪ মে) বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে চন্দ্রিমা থানার বালানগর এলাকা থেকে কেরু ও মোস্তফাকে আটক করা হয়। একই তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে দামকুড়া থানার হরিপুর খড়িয়ারধার এলাকা থেকে সাকিমকে আটক করা হয়। একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বোয়ালিয়া থানার খরবোনা নদীরধার বটতলা এলাকা থেকে সোহানকে আটক করা হয়। এর আগে গত ৩ মে রাত আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে বোয়ালিয়া থানার অলকার এলাকা থেকে রাফিকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- চন্দ্রিমা থানার বালানগর গ্রামের মৃত চাঁন মোহাম্মদের ছেলে মো: শরিফুল ইসলাম (৪১), যিনি সেরু ও কেরু নামে পরিচিত; একই থানার ললিতাহার গ্রামের মো: আলেফ শেখের ছেলে মো: গোলাম মোস্তফা (৪৮); দামকুড়া থানার হরিপুর খড়িয়ারধার গ্রামের মো: আবুল হোসেনের ছেলে মো: সাকিম হোসেন (৪২); বোয়ালিয়া থানার সাগরপাড়া গ্রামের মো: আব্দুর রহিমের ছেলে মো: রাফি আহম্মেদ (২৮); এবং একই থানার খরবোনা নদীরধার গ্রামের মাসুম আলীর ছেলে মো: সোহান আলী (২৪)। সকল আসামিই রাজশাহী মহানগরীর বাসিন্দা।
মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করে মোট ৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল এবং ৪৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামলা রুজু করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত আসামি কেরু (৪১)-এর বিরুদ্ধে আরএমপি’র চন্দ্রিমা থানায় ৩টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে। অপরদিকে, অপর আসামি সাকিম (৪২)-এর বিরুদ্ধে আরএমপি’র দামকুড়া থানায় ৪টি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :